আজ বাংলাদেশের তরুনেরা নষ্ট হয়ে গেছে,
ওরা পচে গেছে।
আমি ওদের মতন হতে চাই না,আমি তরুন হতে চাই না।
এই
তরুন সুকান্ত নজ্রুলের আদর্শ মানে না।
এরা
কথায় কথায় সবার বদনাম করে,মারামারি করে,
গালি দেয়।
আমি ওদের মতন হতে চাই না,আমি তরুন হতে চাই না।
হুজুর
কিংবা
পুজারী এদের কাছে ব্যাকডেটেড
আর পাগল
নাস্তিক ব্যাভিচারীরা ওদের রোল মডেল।
ছল
চাতুরী ও লোকদেখানো কাজে এরা খুবই আধুনিক
নীতি আদর্শে চলা মধ্যবিত্তের জীবন এদের কাছে
আস্তকুড়ে।
আমি ওদের মতন হতে চাই না,আমি তরুন হতে চাই না।
এরা
পকেট
খরচের টাকা
জোগারের জন্য জামাত করে
চাকুরী
পাওয়ার জন্য ছাত্রলীগ করে
চাকুরী
হয়ে গেলে বিএনপি সেজে সরকারের বদনাম করে।
রাত
জেগে ফেসবুকে প্রশ্ন খোঁজে
পরীক্ষায়
চুরি করে এ-প্লাস পায়
তবুও
নিজের মেধা না থাকার দায় মুক্তিযোদ্ধার উপর চাপিয়ে দেয়।
আমি ওদের মতন হতে চাই না,আমি তরুন হতে চাই না।
ইয়াবা কেনার টাকা না দেয়া বাবা এদের কাছে নিষ্কর্মা
সম্পত্তি লিখে দেবার পরে বৃদ্ধ মাকে ওরা বাঁশঝাড়ে ফেলে আসে।
দেশ
পালানো শরীর দেখানো নায়িকাদের এরা ফলোয়ার।
কিন্তু রাতের আধারে প্রতিবেশি মহিলার অনাবৃত
শরীর কল্পনা করে,তবেই ওরা তৃপ্ত হয়।
এরা
হারাম মানে না, হালালও খায় না, তাদের সবচেয়ে প্রিয় খাদ্য ঘুষ
আর
কমিশন।
ছেলেরা
নিরিবিলি জায়গা খোঁজে, মেয়েরা খোঁজে মানিব্যগ
এদের ভালোবাসা শরীর পর্যন্ত ,প্রেমের ভ্রমন লিটনের ফ্লাট পর্যন্ত
এদের সংগ ভদ্র ছেলেকে পিশাচ বানায় আর ভদ্র
মেয়েকে সর্বভোগ্য।
আমি ওদের মতন হতে চাই না,আমি তরুন হতে চাই না।
শান্ত
নম্র ব্যাক্তিরা এদের কাছে আঙ্কেল আর উদ্ভট বিকারগ্রস্থরা ফ্রেন্ড-ড্যূড।
যখন
শরৎ চন্দ্রের বইয়ে পিপড়েরা বাসা বাঁধে
তখন
গুগলে সার্চ দিয়ে ওরা পর্ন সাইট খোঁজে
আর আযানের
সময় হেডফোনে শোনে ভিডিও বারবনিতার কামুক কন্ঠ।
মানবতার
তরে জীবন উৎসর্গকারী ডাক্তারকে তারা কসাই ডাকে
নিজের
সমস্ত বুদ্ধি খাটিয়ে জেল জরিমানা বাঁচানো উকিলকে চাপাবাজ
নিজের
সমস্ত সৃষ্টিশীলতা দানকারী স্থপতি নাম পায় বাটপার
আর
আত্মত্যাগে অন্যের নিরাপত্তা দানকারী পুলিশ হয় জানোয়ার।
আজ
ওদের জন্যই আমার গায়ে বিকৃত তরুণের তকমা লেগেছে,
ওদের
কারনে সবাই আমাকে, ওদেরই মতন ভাবছে।
কিন্তু আমি ওদের মতন হতে চাই না,আমি তরুন হতে চাই না।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন